শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১১ আসনের সাতারকুল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত সাত মাসে সরকার যথাযথ উদ্যোগ নিলে সংকট মোকাবিলা করা সহজ হতো।
তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সাতারকুলে চাঁদাবাজদের প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনগণ তাদের নির্বাচিত করবে না।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, সরকারি দলের মতো বিরোধী দল বরাদ্দ পায় না। এ কারণে ইচ্ছে করলেও এলাকার উন্নয়নে পরিকল্পনা সাজানো যায় না। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন বরাদ্দ সরকার ও বিরোধী দলের সমান হওয়া উচিত।
]]>একইসঙ্গে দেশটির নতুন নেতৃত্ব ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে তাদের সঙ্গে আরও সহজ ও কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেছেন হিলারি।
সম্প্রতি ‘এমএস নাউ’-এর ‘মর্নিং জো’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহু সরকার নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন হিলারি ক্লিনটন।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রতি তার ভালোবাসা থাকলেও দেশটির বর্তমান সরকার ও নেতানিয়াহুর নীতির প্রতি তার গভীর আপত্তি রয়েছে। নিজের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
হিলারি বলেন, ‘আমি বারবার বলেছি আমি ইসরায়েকে ভালোবাসি, তবে নেতানিয়াহুর সরকার ও তার নীতিকে মন থেকে অপছন্দ করি। ঠিক একইভাবে আমি নিজের দেশ আমেরিকাকে ভালোবাসি, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার ও তার কাজকর্মকে একদম মানতে পারি না।’
ইসরায়েলে বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটিকে শুধু দেশটির ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও উদ্বেগজনক বলে মনে করেন হিলারি। তার মতে, দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নেতানিয়াহু সরকারের নীতির প্রভাব ওয়াশিংটনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আবার প্রধানমন্ত্রী হলে যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় নিয়েও কথা বলেন হিলারি। তিনি মনে করেন, নেতানিয়াহু পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে তার সরকারের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের নীতি আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। তবে ইসরায়েলে যদি নতুন কোনো নেতৃত্ব ক্ষমতায় আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সেই সরকারের সঙ্গে কাজ করা তুলনামূলকভাবে সহজ হবে বলে মনে করেন সাবেক এই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইসরায়েলি রাজনীতিতে যখন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, ঠিক সেই সময় হিলারি ক্লিনটনের এমন মন্তব্য দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নানা হিসাব-নিকাশ চলছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন মতামত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর জোটের তুলনায় বিরোধী দলগুলো কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তবে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি।
এদিকে নেতানিয়াহু এরই মধ্যে সপ্তমবারের মতো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু ধারাবাহিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে তার বর্তমান জোট আগের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে নেতানিয়াহুকে এখন তার মিত্রদের সমর্থনের ওপরও উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভর করতে হচ্ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচন তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান জোটের স্থায়িত্ব দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জ্যাক ক্যালিস।
]]>তবে ব্যাট হাতে নয়, বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার অনন্য নজির গড়েছেন ক্যাচ ধরে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরার মালিক এখন এই ইংলিশ অধিনায়ক।
ক্যাচ ধরার হিসেবে উইকেটরক্ষক ছাড়া ফিল্ডারদের ক্ষেত্রে রুটই এখন সেরা। টেস্ট ক্রিকেটে স্মিথের ২১৯টি ক্যাচ ধরার নজির টপকে রুট ২২০টি ক্যাচ নিয়েছেন।
টেস্টে স্টিভেন স্মিথের রেকর্ড ভেঙে দিলেন জো রুট
পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে অলি রবিনসনের বলে আবদুল্লা শফিকের ক্যাচ ধরে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক। টেস্ট ক্রিকেটে সফল ফিল্ডারদের তালিকায় রুট এবং স্মিথের পর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। তিনি ২১০টি ক্যাচ ধরেছেন।
অন্যদিকে, চতুর্থ স্থানে আছেন মাহেলা জয়বর্ধনে। তার ক্যাচের সংখ্যা ২০৫টি। এরপর ২০০টি ক্যাচ
]]>ডিমটা ঠিকঠাক আছে তো
মুরগি কাটার সময় পেটের ডিম যদি খোলস বা পাতলা আবরণের ভেতরে সুন্দরভাবে থাকে, তাহলে খাওয়া যাবে। তবে ডিমটা মুরগির পেট থেকে বের করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে ভেঙে না যায় বা মুরগির পেটের ময়লা লেগে না যায়। বের করার সময় ডিমটির যে স্বাভাবিক আকৃতি ছিল, তা যদি নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ ডিম ভেঙে যায়, তাহলে খাওয়া উচিত হবে না।
মুরগি কাটার সময় যদি পিত্তথলি বা নাড়িভুঁড়ি ফেটে বর্জ্য বেরিয়ে ডিমের গায়ে লেগে যায়, তবে তা থেকে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে। এ ধরনের বর্জ্য দিয়ে ডিম যদি অনেক বেশি দূষিত হয়ে যায়, তবে স্বাভাবিক আকৃতি অক্ষুণ্ন থাকলেও না খাওয়াই নিরাপদ।
ডিম থেকে দুর্গন্ধ এলেও সেটি খাওয়া যাবে না।
রান্নার সময়
ধোয়ার প্রয়োজন নেই। খোলস বা পাতলা আবরণ যেটিই থাকুক না কেন, তাতে যদি দৃশ্যমান ময়লা থাকে, টিস্যু দিয়ে হালকাভাবে মুছে ফেলুন। ফ্রিজে সংরক্ষণ না করে তখনই রান্না করে ফেলুন।
যে পদই করুন না কেন, ডিম খুব ভালোভাবে সেদ্ধ করতে হবে। উচ্চ তাপমাত্রায় অল্প রান্না করলে ভেতরটা কাঁচা রয়ে যেতে পারে। তাই মাঝারি আঁচে পর্যাপ্ত সময় ধরে রান্না করুন, যাতে ভেতরটা পুরোপুরি জমাট বাঁধে। সেদ্ধ হয়ে গেছে মনে হলেও একটি ডিম তুলে নিয়ে আলাদা প্লেট কিংবা বাটিতে রাখুন।
একটা চামচ বা ছুরি দিয়ে ডিমের মাঝখানের অংশ কেটে দেখুন, নরম হয়ে আছে কি না। নরম থাকলে বুঝতে হবে, ডিম ভালোভাবে সেদ্ধ হয়নি। তখন আরও সেদ্ধ করুন। পরে আবার একইভাবে পরীক্ষা করে দেখুন, সেদ্ধ হয়েছে কি না। সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্নার ধরন বুঝে প্রয়োজন অনুযায়ী তাতে পানি বা তেল যোগ করতে পারেন, যাতে পাত্রের তলার দিকে পুড়ে বা লেগে না যায়।
খেয়াল রাখুন
মুরগির পেট থেকে নিরাপদভাবে বের করে নেওয়া ডিম ওপরের এসব নিয়ম মেনে রান্না করা হলে মানবস্বাস্থ্যের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। যেকোনো বয়সী মানুষেরই তাতে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে ওপরের কোনো শর্তের ব্যত্যয় হলে ডিমের মাধ্যমে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে (বিশেষত সালমোনেলা নামের জীবাণু, যা ফুড পয়জনিংয়ের কারণ)।
পুষ্টিগুণেও দারুণ
মুরগির পেটে থাকা এসব ডিম সঠিক নিয়মে খাওয়া হলে আপনি ডিমের নানা পুষ্টিও পাবেন। এই ডিমে আমিষ, অতি প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন, ভিটামিন বি১২সহ নানান পুষ্টি উপাদান থাকে।
যদি থাকে নিষেধাজ্ঞা
কোনো রোগের কারণে যাদের আমিষ বা আয়রন গ্রহণে বিধিনিষেধ আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজকার নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি কোনো ডিমই খাওয়া উচিত নয়। এই ডিমে বেশ উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল থাকে।
তাই যাদের রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা হৃদ্রোগ রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত কুসুম খাওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। যাদের এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, এই বাড়তি ডিম তাদের দিয়ে দিতে পারেন।
]]>অভিযুক্ত আল আমিন মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্টি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় তিন বছর আগে ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ভাড়া নিয়ে প্রায় পাঁচ বছর আগে ফতেপুর ইউনিয়নের পারদিঘী গ্রামের হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান মারকাজুল উম্মাহ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা সদরের ওই শিশুকে নাজেরা বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরে সে মাদ্রাসার আবাসিক ব্যবস্থায় থাকত।
পরিবারের অভিযোগ, গত তিন মাস ধরে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে আসছিলেন শিক্ষক আল আমিন। এতে তার পেটে ব্যথা এবং পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাতসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। অসুস্থতার কথা জানালে তার মা তাকে ছুটিতে বাড়িতে নিয়ে যান।
বাড়িতে থাকার সময় একদিন সকালে শিশুটির নানা আজিজুর রহমান বাড়ির টয়লেটে রক্ত দেখতে পান। বিষয়টি তিনি শিশুটির মাকে জানান। তবে ভয়ে তখনও ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ করেনি শিশুটি।
পরে তাকে জামুর্কী, মির্জাপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসা শেষে ১১ দিন আগে শিশুটিকে আবার মাদরাসায় রেখে যান তার মা। পরিবারের দাবি, ওই ১১ দিনের মধ্যে আট দিনই তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে সে বিষয়টি মাকে জানায়। পরে মা তাকে আবার বাড়িতে নিয়ে আসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মির্জাপুর সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়। পরিবারের দাবি, পরীক্ষার পর চিকিৎসক শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে ধর্ষণের বিষয়টি জানান এবং তার স্বজনদের কাছে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এরপর শুক্রবার সকালে শিশুটির মা, নানা ও মামা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও প্রিন্সিপালের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মাদরাসায় জড়ো হয়ে শিক্ষক আল আমিনকে মারধর করেন।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল গেট বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠি তুলে নিয়ে জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে সেখানে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে প্রিন্সিপাল ও অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর নানা বলেন, এত ছোট একটি শিশুর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ভুক্তভোগী শিশুটিও অভিযোগ করে, গত তিন মাস ধরে শিক্ষক আল আমিন তাকে ভয় দেখিয়ে ও বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সে মাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল বলেও জানায়।
শিশুটির মা অভিযোগ করেন, ছেলে অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিতে গেলে শিক্ষক আল আমিন তাকে গ্যাস্ট্রোলিভারের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দেন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তবে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক আল আমিন। তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ। উপরে আল্লাহ আছেন, তিনি বিচার করবেন। ছাত্ররা তো মিথ্যা কথা বলেই, ওই ছাত্রও মিথ্যা বলছে।’
পেটব্যথার কারণে শিশুটিকে গ্যাস্ট্রোলিভারের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে আর প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে না। জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকজন তার গলা চেপে ধরেছিলেন, সে কারণেই তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন।
মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
]]>শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন ও ঢাকা বিভাগে একজন মারা গেছে।
একইসময়ে ৩৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর মোট ১৯ হাজার ৯৬৭ জনের হাম শনাক্ত হলো।
আর গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৭ জন। এ নিয়ে এ বছর ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮২২ জনের হামের উপসর্গ দেখা গেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৭১ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে।
]]>শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের রায়েই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
তিনি আরও বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না।
এর আগে শিবগঞ্জ মোকামতলা উপজেলায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন, শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুকূলে দুটি স্কুল বাস বিতরণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
]]>শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ) আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল বিভাগ : সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা এমন একটা জায়গায় চলে আসছি, কোয়ালিটি ডেভেলপমেন্ট যদি আনতে হয়, তাহলে ভালো মানুষদের নেতৃত্বে আসতে হবে।’
আন্দালিব রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে নেতৃত্বের বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ভালো ও মেধাবী তরুণরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছে। রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক রাজনীতিবিদের সন্তানও রাজনীতিতে আসতে চায় না।
তিনি বলেন, রাজনীতি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো উপাদান থাকলেও ভালো বাবুর্চি না থাকলে যেমন ভালো খাবার পাওয়া যায় না, তেমনি ভালো মানুষ নেতৃত্বে না এলে উন্নয়ন ও অগ্রগতির সুফল টেকসই করা সম্ভব নয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বরিশালের ঐতিহ্য অতুলনীয়। ফুটবল থেকে শুরু করে রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরিশাল এবং বরিশালের মানুষ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে। পাকিস্তান আমল থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পর্যন্ত এ অঞ্চল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা উঠে এসেছেন এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি বলেন, বরিশালকে সত্যিকার অর্থে স্বপ্নের নগরী ও স্বপ্নের শহরে পরিণত করতে হলে আগামী দিনে ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে হবে। এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, বরিশালের আশপাশের সব নির্বাচনী এলাকা ও জেলাগুলো থেকে মেধাবী ও ভালো ছেলেমেয়েদের রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করতে হবে। এজন্য রাজনীতিতে আসার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আগামী প্রজন্মের জন্য ভালো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারি, তাহলে কোনো ধরনের উন্নয়নই টেকসই হবে না। এটা শুধু বরিশালের সমস্যা নয়, সারা বাংলাদেশেই এই সংকট রয়েছে।’
আন্দালিব রহমান বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্যাস সরবরাহ ও শিল্পায়ন এক ধরনের উন্নয়ন। কিন্তু এখন দেশের প্রয়োজন মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়ন। আর সে জন্য ভালো মানুষকে নেতৃত্বে আসতে হবে।
তিনি বলেন, যারা বর্তমানে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের দায়িত্ব হলো পরবর্তী প্রজন্ম থেকে যোগ্য ও মেধাবীদের রাজনীতিতে নিয়ে আসার পথ তৈরি করা। তরুণদের রাজনীতিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের জন্য রাজনীতির পরিবেশ সহজ করতে হবে, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে রাজনীতিতে আসতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হয়তো অনেক কিছু তৈরি করে যেতে পারব, কিন্তু ভালো নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারলে সেগুলো ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তাই এ বিষয়গুলোতে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।’
বরিশাল থেকে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ অনেক বড় নেতা উঠে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এ অঞ্চল থেকে যোগ্য ও ভালো নেতৃত্ব সামনে আসতে হবে।
তিনি বলেন, তরুণরা ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়া কিংবা বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের সবচেয়ে মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণদের কেউ যদি রাজনীতিতে এসে দেশ পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে, সেটিই হবে দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা।
]]>শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সিএমএইচে পৌঁছে আহত সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন গুরুতর আহত হন। একই ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত দুই সেনাসদস্য হলেন—রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের তাসনিম রিফাত এবং নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস।
এদিকে, ট্যাংকের ফায়ারিং অনুশীলনের সময় কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।
]]>ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কারতাল জানিয়েছিলেন, তিনি ক্লাব ছাড়ছেন এবং ভবিষ্যতে আর ফিরবেন না। ক্লাবের স্বার্থেই পথ করে দিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
তবে সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পর কারতালের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নাকচ করে দেন ইলদিরিম। তিনি জানান, কারতালই ফেনেরবাচের কোচ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন।
কারতালের এমন সিদ্ধান্তের পেছনে ম্যাচ চলাকালে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনাকেও কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ইলদিরিম। ফেনেরবাচে সভাপতি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যায় ম্যাচ চলাকালে কয়েকজন সমর্থক কোচের মাথায় একটি বোতল ছুড়ে মেরেছিল। এতে সে প্রভাবিত হয়েছিল।’
কারতালের সঙ্গে নিজের কথোপকথনের বিষয়টিও তুলে ধরেন ইলদিরিম, ‘আমি এইমাত্র ইসমাইল কারতালের সঙ্গে কথা বলেছি। সে বোতল-কাণ্ডের কথা বলেছে এবং চাপের মধ্যে থাকার বিষয়েও অভিযোগ করেছে।’
কারতাল দায়িত্বে থাকবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইলদিরিম বলেন, ‘সে যে প্রকাশ্যে বলবে, সে দায়িত্ব চালিয়ে যাবে—এমন কোনো প্রয়োজন নেই। আমি তার চেয়ে বয়সে বড়। আমি তাকে বলেছি, নিজের কাজ চালিয়ে যেতে। এটাই বিষয়টির শেষ। আমরা একটি পরিবার।’
ফেনেরবাচের হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে প্রায় এক দশক কাটিয়েছেন কারতাল। কোচ হিসেবেও ক্লাবটির দায়িত্ব নিয়েছেন একাধিকবার। ২০১৪-১৫ মৌসুমে প্রথমবার প্রধান কোচ হন তিনি। ২০২১-২২ মৌসুমে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে কাজ করার পর ২০২৩-২৪ মৌসুমে আবার পূর্ণকালীন দায়িত্ব পান। গত জুনে চতুর্থবারের মতো ফেনারবাহচের কোচের দায়িত্ব নেন কারতাল।
কারতালের অধীনে ১৮ বছর পর প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে জায়গা করে নেয় ফেনেরবাচে। সেই প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই রোমার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে তুরস্কের ক্লাবটি। তবে ম্যাচ শেষে ফলাফলের চেয়ে কোচের পদত্যাগের ঘোষণা এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে সভাপতির তা প্রত্যাখ্যানই হয়ে ওঠে রাতের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।
গত পাঁচ মৌসুম ধরে তুরস্কের সুপার লিগে রানার্সআপ হয়েছে ফেনারবাহচে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফেরা দলটির সামনে এখন ইউরোপের মঞ্চে আরও কঠিন পরীক্ষা। আর সেই অভিযানে কারতালই থাকছেন ডাগআউটে।
]]>