নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মত কাঞ্চন মিয়া নিজ বাড়িতেই তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রাতে চার্জে দিয়ে রেখেছিলেন। সকালে পিন খুলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। এই সময় তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এই বিষয়ে ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, অটো চার্জারের পিন খুলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। এই বিষয়ে পরিবারের অভিযোগ না থাকায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।
]]>
দণ্ডপ্রাপ্ত আসলাম হোসেন উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর সলই মন্ডলপাড়া গ্রামের হায়দর আলীর ছেলে। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর বিয়ের আগে থেকেই আসলাম হোসেন তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। বিভিন্ন লোভ-লালসা দেখিয়ে ফুসলাতেন। বিষয়টি জানতে পেরে সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় তাকে অন্যত্র বিয়ে দেন তার বাবা। ওই নারী ঘর-সংসার করাকালে বিভিন্ন সময় তার স্বামীর কাছে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি করেন আসলাম হোসেন। দাম্পত্য কলহের জের ধরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ওই নারীকে তালাক দেন তার স্বামী। এরপর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতেই থাকতেন।
এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, তালাকের পর ওই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন আসলাম হোসেন। একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ২০ জুলাই রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আসলাম হোসেন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। ওই মামলায় আসলাম হোসেনকে একমাত্র আসামি করা হয়।
তিনি আরও জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসলাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালত।
]]>
হামলা-মারধর, মামলা করেও থেমে থাকেনি সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামের মৎস্যজীবী শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে মানববন্ধনের মাধ্যমেও সাদ্দাম হোসেনদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। একই সাথে হামলায় একাধিক আহতের ঘটনা ঘটলেও অদৃশ্য কারণে মামলা নিচ্ছে না সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী কৃষ্ণপুর বেপারিপাড়ার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বলেন, আমরা কৃষ্ণপুর মৌজার বিআরএস খতিয়ান ১১০, দাগ ১২২, ১২৩, জমির পরিমাণ-৬৩ শতাংশ জমির মালিক। ১৯৪২ সাল থেকে দাখিলা মূলে আরওআর ও বিআরএস এবং খাজনা-খারিজসহ আমাদের নামেই রেকর্ড ভুক্ত হয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত ওই জায়গা আমরা ভোগদখল করে আসছি। বিগত সরকারের সময়ে জামালপুর সদরের মেষ্টা ইউনিয়নের বীর মল্লিকপুর ফুলারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও তার লোকজনেরা আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে রাতের আধারে জোরপূর্বক উক্ত জমি দখল করে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার মুরুব্বি ও মাতাব্বারদের নিয়ে বসার কথা থাকলেও তারা বসতে রাজি হয়নি। এছাড়া ওই ভূমিদস্যু শফিকুল ও তার লোকজনেরা আমাদের বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি দেয়। এর আগেই শফিকুল ইসলাম বিআরএস রেকর্ড ভাঙ্গার মামলা করে একতরফা ডিক্রি কৌশলে আদায় করে। যা বিবাদী পক্ষ আমরা কোনরকম নোটিশ পাই নাই। আমরা তাদের একতরফা ডিক্রি সুপ্রিমকোর্টে রিট করলে রায় স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। যার রিট নম্বর ৫৩৩৮/২০২৬ইং।
সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, আমরা জমিতে গেলে আমার ভাতিজা আসাদুলকে শফিকুল ইসলামপুর ও তার লোকজনেরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে ডান পায়ের রগ কেটে ফেলে। পরবর্তীতে আসাদুলকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই বর্তমানেও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলায় আমিও বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলেও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হই। এই ঘটনায় শফিকুল ও তার লোকজনেরা নিজেরাই পূর্বপরিকল্পিভাবে বিরোধপূর্ণ ভূমিতে বসতঘর উঠিয়ে নিজেররাই আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এছাড়া তারা মিথ্যা অপপ্রচার করে একটি মানববন্ধন করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এবং আমরা এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
]]>জন্মের পর বাবার হাত ধরে মাছ শিকারকে পেশা হিসাবে বেছে নেন জামালপুরের ইসলামপুর ব্রহ্মপুত্র চরের হেলাল শেখ। জীবনযুদ্ধ জয় করেছেন ঠিকই, তবে হার মেনেছেন ভাগ্যের কাছে। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই পেশায় থেকে তার ভাগ্যের কোন পরিবর্তন তো হয়নি, বরং ঋণের জালে বন্দি হয়ে তিনবেলা খেয়ে বেঁচে থাকাই এখন দায়।
শুধু হেলাল নয় জেলে পল্লীর অধিকাংশ মানুষের জীবনের গল্প এমনই। ঋণে আবদ্ধ জীবন তাদের অনেকটা জালে আটকে পড়া মাছের মতই। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনা নদীতে রাতে মাছ ধরতে নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন দুর্গম চরের জেলেরা। যমুনার বুকে শুরু হয় তাদের জীবনযুদ্ধ। রাতভর জাল ফেলে রাখা ধরা মাছ নিয়ে কুয়াশার আবেশ না কাটতেই আবার একে একে ভিড়তে থাকে উপজেলার গুঠাইল ঘাটে। নৌকা থেকে নামানো হয় রাতভর কষ্ট করে ধরা ঝুড়ি ভরা মাছ।

আবার কারও ধরা মাছ এতটাই কম যে তা বিক্রি করে সংসারের খরচ মেটানোই কঠিন। শুরু হয় মাছ বেচাকেনার ব্যস্ততা। ঘাটে জড়ো হন শত শত জেলে, পাইকার ও খুচরা ক্রেতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠলেও কোলাহলের আড়ালেই চাপা পড়ে থাকে জেলেদের দীর্ঘশ্বাস আর অনিশ্চয়তার গল্প।
গুঠাইল ঘাটের আড়ৎদার শিপন মিয়া জানান, যমুনায় পানি বাড়লে মাছের সরবরাহ বাড়ে। তখন জেলেদের মুখে ফুটে ওঠে আশার আলো। কিন্তু পানি কমতে শুরু করলেই কমে যায় মাছ। সঙ্গে কমতে থাকে আয়ও। তখন সংসার চালানো, নৌকা মেরামত কিংবা ছিঁড়ে যাওয়া জাল কিনতে অনেককেই ছুটতে হয় আড়ৎদারদের কাছে।
আড়ৎদার রবিউল জানান, বছরের শুরুতে জেলেরা জাল ও নৌকা মেরামতের জন্য কিছু টাকা অগ্রিম নেন। পরে মাছ বিক্রির টাকা থেকে অল্প অল্প করে সেই ঋণ পরিশোধ করেন। ধরা মাছ ন্যায্য দামে বিক্রি করে ঋণের টাকা রেখে বাকি অর্থ জেলেদের দেওয়া হয়।
গুঠাইল ঘাটের জেলে নরেশ চন্দ্র জানান, নদীতে এখন আর আগের মত মাছ পাওয়া যায় না। যতটুকু পাওয়া যায়, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়েই অনেক জেলে এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।
সাপধরী এলাকার জেলে নহিন্দর বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থাকায় কিছু মাছ পাওয়া যায়। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি কমে গেলে জেলেদের অলস সময় পার করতে হয়। তখন সংসার চালানোর জন্য মহাজনদের কাছ থেকে দাদন বা ঋণ নিতে হয়। পরে মাছ বিক্রি করে সেই ঋণ শোধ করতে হয়। এভাবেই অভাব-অনটনের মধ্যে চলছে তাদের জীবন।
জেলেরা জানান, গুঠাইল এই ঘাটে এখনও অনেকটাই পুরোনো নিয়মে চলে মাছের বেচাকেনা। আড়ৎদারের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় মাছের দাম। ফলে নিজেদের ধরা মাছের মূল্য নির্ধারণে জেলেদের হাতে অনেক সময় খুব বেশি সুযোগ থাকে না। দিন শেষে মাছ বিক্রি করে হতাশ হয়ে ঘাট ছাড়লেও তাদের চোখে থাকে নতুন দিনের আশার আলো। কারণ যমুনাই তাদের জীবিকা, যমুনাই তাদের স্বপ্ন, নদীই তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন।
যমুনার ঢেউয়ের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করে যারা মানুষের পাতে মাছ তুলে দেন, তাদের নিজেদের পাতে প্রতিদিন খাবার জোটে কি না, সেই হিসাব হয়ত কেউ রাখে না। মাছের সঙ্গে তারা নদী থেকে তুলে আনেন বেঁচে থাকার স্বপ্নও। কিন্তু মাছের অভাব, সংসারের টানাপোড়েন আর ঋণের বোঝায় সেই স্বপ্ন যেন বারবার ডুবে যায় যমুনার গভীর জলে। তারা বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় কিছু চাল দেওয়া হয়। এই চালে জীবন চলে না। তারা তাদের জীবনমান পরিবর্তনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
ইসলামপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি। অনুদান হিসাবে বিভিন্ন সময় তাদের ছাগল ও বকনা বাছুর দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার সময় চাল সহায়তা দেওয়া হয়।
]]>
আজ ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে একথা জানান।
জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিলো, সেচ কাজে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের পরিবর্তে কৃষকদের বিনামূল্যে সোলার বিদ্যুৎ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?
উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, যেসব স্থানে ডিজেল দিয়ে পানির পাম্প চালানো হয় সবগুলোকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমরা সৌর বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে যাব।’
তাজউদ্দীন খানের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি উৎস সম্প্রসারণের সরকারের কর্মপরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইতোমধ্যে ২০২৬ হতে ২০৩০ মেয়াদে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। উক্ত কৌশলপত্র অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্ভাবনা ও বাস্তবতা বিবেচনায়, ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে নিম্নোক্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সেগুলো হচ্ছে-ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ হতে ৫,৫০০ মেগাওয়াট, ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ হতে ৪,৫০০ মেগাওয়াট এবং অন্যান্য প্রযুক্তি যেমন: বায়ু বর্জ্য, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সোলার, অ্যাগ্রিভোলটেইক্স ইত্যাদি হতে ৪৫০-৫৫০ মেগাওয়াট।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নবায়নযোগ্য উৎস হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎসাহিত করতে সরকার ইতোমধ্যে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য পণ্যগুলির (সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি, স্ট্যাকচার) ওপর আরোপণীয় সমুদয় কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশের অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর হতে শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করেছে। সর্বশেষ, গত ১ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় ইউনিট প্রতি সর্বোচ্চ ৮ (আট) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ২০ শতাংশ মুনাফা এ বং ১১.২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম বিবেচনা করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুসরণপূর্বক যে সকল গ্রাহক আগামী বছর ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী ৩ (তিন) বছর, অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে পাবেন।’
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকার ইতোমধ্যে নিম্নরূপ নীতিমালা/ গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বলে সংসদকে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিপিপি পদ্ধতিতে সরকারি সংস্থার মালিকানাধীন ভূমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প উন্নয়ন নির্দেশিকা, ২০২৬’ এবং ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নীতিমালা, ২০২৫’ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫, নেট মিটারিং গাইডলাইন, ২০২৫, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি, ২০২৫, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবসায়িক মডেল এবং ‘অনশোর উইন্ড গাইডলাইন’ এবং ‘কার্বন ক্রেডিট প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ক গাইডলাইন।’
সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর সস্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌরবিদ্যুতের স্টোরেজের জন্য এখানে দুই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি হচ্ছে, লেড ব্যাটারি যেটাতে নরমাল ট্রেডিশনের; আরেকটা হচ্ছে লিথিয়াম ব্যাটারি, যেটি পরিবেশ বান্ধব।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার লিথিয়াম এনকারেজ করার চেষ্টা করছে। লিথিয়াম ব্যাটারি স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ তৈরির ক্ষেত্রে যে সকল কলকারখানা স্থাপিত হবে সেটিকে সরকার সব রকমের সহযোগিতা দেবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘লিড ব্যাটারিতে এসিডের ব্যবহার হয় যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। সেজন্য এটাকে ডিসকারেজ করতে চাইছি।’
তিনি বলেন ‘ভবিষ্যতে আমাদের চিন্তাভাবনা থাকবে যে, রুফটপের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথম ৩০ মিনিট ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য আজ আটটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন নির্ধারিত ছিলো। এরমধ্যে তিনটি প্রশ্ন এবং সাতটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। সূত্র : বাসস
]]>সে আইরমারী নতুনপাড়া গ্রামের জামাত আলীর ছেলে। সে চলতি বছরে এসএসসি পাশ করে কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। কলেজে ভর্তির আগেই এমন মৃত্যুতে শোকাভিভূত পুরো পরিবার ও এলাকাবাসী।
জানা গেছে, আইরমারী নতুনপাড়া আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ফকির আলীর দোকানে বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। পারভেজ হাসান ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার চেক করতে যায়। ত্রুটিপূর্ণ তারটি চেক করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে পড়ে পারভেজ। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
]]>
এ সময় পাঁচজন পাখি শিকারীর কাছ থেকে শিকারের সরঞ্জাম ও দশটি বক উদ্ধার করা হয়। পরে বকগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়।
নকলা ইউনিয়নের ডাকাতিয়াকান্দা গ্রামের ওই পাখি শিকারীরা আর ভবিষ্যতে বকসহ অন্যান্য পাখি শিকার করবে না এবং করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া যাবে মর্মে অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেম। পরে তাদেরকে নকলা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মুরাদুজ্জামান মাছুমের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনিসহ স্বেচ্ছাসেবী এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার এই প্রতিবেদককে বলেন, পাখি শিকার বন্ধে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। এই বিষয়ে নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম অবগত রয়েছেন।
শেরপুর :
]]>পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন সার ডিলারের বিক্রয় কার্যক্রম ও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং কৃষকদের যথাযথভাবে বিক্রয় রশিদ দেওয়ার বিষয়ে ডিলারদের নির্দেশনা দেন।
কৃষকদের উদ্দেশে উপ-পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চলতি মাসে নকলা উপজেলায় সারের বরাদ্দে কোনো ঘাটতি নেই। তাই সার নিয়ে কৃষকদের হতাশ বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি আরও বলেন, কোনো ডিলার সরকার নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি করতে পারবেন না। প্রতিটি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কৃষকদের হাতে বিক্রয় রশিদ তুলে দিতে হবে। সার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি ধৈর্যশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
]]>৮ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের খরকা হলরুমে গিয়ে শেষ হয়।

পরে খরকা হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও-এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম আজাদ, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আনোয়ার হোসেন, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম কিবরিয়া, মাদারগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম ও চরপাকেরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আবুজ্জোহা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ সমাজ গঠনে সাক্ষরতার কোন বিকল্প নেই। কেবল অক্ষরজ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সাক্ষরতা সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রতিটি নাগরিককে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও একযোগে কাজ করতে হবে। সাক্ষরতার প্রসার, নিরক্ষরতা দূরীকরণ এবং শিক্ষার সুযোগ সবার কাছে পৌঁছে দিতে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
]]>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হুজুরীকান্দা গ্রামের প্রতিবন্ধী সিফাতের দোচালা ঘরের বিদ্যুতের মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আগুন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
পরে আগুন পাশের আরিফুল ইসলামের হাফ বিল্ডিং ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দুইটি বসতঘরের আসবাবপত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শেরপুর সদর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পরিদর্শক মো. নাসিম উদ্দিন এই প্রতিবেদককে বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
]]>