গত কয়েক বছরের দুঃশাসনে যখন সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ ছিল, তখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনা থেকে শুরু করে ঢাকার রাজপথ, সর্বত্রই সরব ছিলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের অন্যতম প্রাণপুরুষ হিসেবে তিনি কেবল শ্রেণিকক্ষেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন বারবার। জুলাই বিপ্লবে সম্মুখভাগের সেনানী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যখন পুরো দেশ উত্তাল তখন সাভার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর নেমে আসা পুলিশি ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হেলমেট বাহিনীর হামলা ও পুলিশের টিয়ারশেলের মুখেও তিনি শিক্ষার্থীদের ফেলে পিছু হটেননি। তীব্র রোদে কিংবা বৃষ্টিতে, রাজপথের মিছিলে তার উপস্থিতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের জুগিয়েছে অসীম সাহস। ফ্যাসিস্ট সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুক্তিনির্ভর ও সাহসী বক্তব্য তুলে ধরেছেন নিরন্তর।
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম কেবল একজন শিক্ষকই নন, তিনি গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীক। সহকর্মীদের মতে, ক্ষমতার মোহে অনেকেই যখন আদর্শ বিসর্জন দিয়েছেন, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম তখন জাতীয়তাবাদী আদর্শে অবিচল থেকে স্বৈরাচারের পতনের আন্দোলনে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তার অকুতোভয় নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছেন।
ফ্যাসিবাদ মুক্ত নতুন বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার পুনর্গঠন শুরু হয়েছে, তখন অধ্যাপক নজরুল ইসলামের মতো সাহসী শিক্ষকদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আজ রাজপথের এক অকুতোভয় যোদ্ধার নাম, যিনি শিখিয়েছেন মাথা নত না করে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হয়। তার এহেন প্রশংসিত কর্মকাণ্ড ও আদর্শিক পদচারনায় একটি গুপ্ত মহল ষড়যন্ত্রের ডালপালা মেলতে থাকে। তাকে ঘিরে নানা কুৎসা রটনা করতে থাকে। দমে না গিয়ে অবিচল থাকেন তিনি। সরকার পরিবর্তনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখে ষড়যন্ত্রকারীরা ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। তবে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
রোববার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আশুলিয়ার খাগান এলাকায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ছাত্রশিবিরের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিম শাখা।
এতে উপস্থিত ছিলেন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পশ্চিম শাখার সভাপতি ও শাখা সেক্রেটারি সহ ড্যাফোডিল, সিটি ও মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের নেতৃত্ববৃন্দ।
মেডিকেল ক্যাম্পে রক্ত পরীক্ষা, ডায়াবেটিস পরীক্ষাসহ মেডিসিন, চর্ম ও গাইনী চিকিৎসকরা সেবা দিয়েছেন। এতে আশুলিয়ার ড্যাফোডিল, মানারাত ও সিটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের সাধারণ জনগণও এই সেবা গ্রহণ করেছেন।
ছাত্রশিবিরের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিম শাখার সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, জুলাই শহীদদের সবচেয়ে বেশি নিজের মনে করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তারই ধারাবাহিকতায় জুলাই শহীদদের স্মরণে ছাত্রশিবির, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিম শাখা আশুলিয়া অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করেছে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী সমস্যা সমাধানে কাজ করে। এটাও তার ব্যতিক্রম নয়।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যা সমাধান করতে সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা অত্র মেডিকেল ক্যাম্পটি সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রেখেছি। এমনকি মেয়ে শিক্ষার্থী বোনদের জন্য পৃথকভাবে মহিলা চিকিৎসকদের ব্যবস্থা রেখেছি। ছাত্রশিবির শুধু তার ঐতিহ্যগত কর্মসূচিগুলো একে একে বাস্তবায়িত করছে, সামনেও করবে ইনশাআল্লাহ।
শাখা সেক্রেটারি শান্ত তালুকদার বলেন, এসব কর্মসূচি আমাদের রুটিন ওয়ার্ক। এমন আরও বহু চমকপ্রদ ও ছাত্রবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অন্তরের ছাত্রশিবির পৌঁছে যাবে ইনশাআল্লাহ।
]]>
বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে গ্রপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবির।
এরআগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল ও পাবনারটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ইব্রাহিম (১৮), নাজমুল খান (১৮), ইসমাইল হোসেন রনি (১৮), তুষার মিয়া (১৮) ইব্রাহিম-২ (১৮) ও আবদুল্লাহ নয়ন (১৯)।
তারা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের পক্ষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরবে এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে অবৈধ সরকার উল্লেখসহ এই সরকারের পদত্যাগ দাবি করে মুখে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় ঝটিকা মিছিল বের করেন।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবির বলেন, আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। ভিডিও ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযানে যাই এবং ছয়জনকে গ্রেপ্তার করি। আজ দুপুরে তাদেরকে আদালতে প্ররণ করা হবে।
]]>সোমবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যারাতে সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পিছনে পালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, উৎপল সাহা জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের পর থেকে পালিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন পর এলাকায় প্রবেশ করলে উত্তেজিত জনতা একত্রিত হয়ে উৎপল সাহাকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ আহত অবস্থায় উৎপলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেন। পরে চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে আসেন এবং আজ দুপুরে তাকে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উৎপল সাহা আওয়ামী জমানার ‘ফ্যাসিবাদ’। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী শাসনামলে প্রতিবেশিসহ বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের মারধরসহ বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই উৎপল সাহাকে আটকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন তারা।
তবে গ্রেপ্তারকৃত উৎপল সাহার পরিবারের দাবি, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে দলীয় কোন কর্মসূচিতে অংশ নেননি উৎপল সাহা। এ ছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ সরকার পতনের অনেক আগে থেকেই দেশের একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে পরিবারের সাথে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন উৎপলের পরিবার।
সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা বলেন, আসামি উৎপল সাহাকে তারা গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়েছেন। এরই মধ্যে সোমবার রাতে স্থানীয়রা আটক করে খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
]]>
বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে এবার কফির আড্ডায় দেখা গেছে আওয়ামী লীগের পলাতক চার মন্ত্রীকে। তারা হলেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক নৌমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সাবেক শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা।
কর্মীরা বলছেন, ঈদ তো সবার জন্যই। নেতারা যে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন না, তা নয়। তবে তাদের সঙ্গে কর্মীদের যোগাযোগ ও সুখ-দুঃখের বিনিময় হলে ভালো হয়। কর্মীরা প্রাণ পায়। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ নেতাকর্মী তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন। তারা কোনো মাধ্যমেই যোগাযোগ রাখছেন না। সহযোগিতা তো পরের ব্যাপার।
আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী এবার ঈদের নামাজটাও পড়তে পারেননি। নতুন প্রজন্মের অনেক নেতাকর্মীর কাছে এটি একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সংগ্রাম ত্যাগ আর ক্রোধ মনে নিয়েই একটি প্রজন্ম লড়াই করছে সেই সাথে আছে পূর্ব প্রজন্মের পূর্ব পুরুষদের লড়াই সংগ্রাম। এই সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিদেশে অবস্থান করছেন অনেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হয়ে কারও কারও যদি হাস্যোজ্জ্বল গেটটুগেদারের ছবি আসে তাহলে তৃণমূল এতে ব্যথিত হয় ও প্রতিপক্ষে ভুল বার্তা পৌঁছায়।
তবে নেতাদের দাবি, বিপদে তো সবাই। যে যত বড় নেতা, বিপদ তার তত বেশি। দেশ-বিদেশে যে যেখানেই আছে, চরম বেকায়দায় আছে। তার পরও সাধ্যমতো সংযোগ রক্ষা করা প্রয়োজন। আমাদের অনেকেই সেটা করছেন না। এ কারণে কর্মীদের ক্ষোভ অমূলক নয়। তবে দলীয় সভাপতি নিজেই সবার সঙ্গে কানেক্টেড, এটাই আমাদের আশার দিক।
এ নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য শেখ রাসেল বলেন, ‘ঈদ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব এবং আনন্দের দিন। হোক সেটা দেশে কিংবা বিদেশে অবস্থান করা অবস্থায়। জুলাই আগস্ট পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাই বলে কি তাদের জীবনে ঈদ আসবে না বা তারা ঈদের আনন্দ করতে পারবে না বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু তাদের উচিত শুধু ঈদের সময় কেন, সব সময় দলের কর্মী এবং দেশবাসীর খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু কোনো নেতা যদি এমনটি না করেন তাহলে আমি বলবো তারা নেতা নন। তারা হলেন নেতারূপী দানব। ভবিষ্যতে দলের কর্মীরা এবং দেশবাসী এই নেতারূপী দানবদের পরিহার করে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ফেলবে বলে আমার বিশ্বাস।’
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির আরেক সদস্য ফুয়াদ আদনান বিন জামাল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী এবার ঈদের নামাজটাও পড়তে পারেননি। নতুন প্রজন্মের অনেক নেতাকর্মীর কাছে এটি একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সংগ্রাম ত্যাগ আর ক্রোধ মনে নিয়েই একটি প্রজন্ম লড়াই করছে সেই সাথে আছে পূর্বপ্রজন্মের পূর্বপুরুষদের লড়াই সংগ্রাম। এই সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বিদেশে অবস্থান করছেন অনেকেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হয়ে কারও কারও যদি হাস্যোজ্জ্বল গেটটুগেদারের ছবি আসে তাহলে তৃণমূল এতে ব্যথিত হয় ও প্রতিপক্ষে ভুল বার্তা পৌঁছায়। সময়টা এখন বৈরী অতএব এসময়ে সংযমী হওয়াই শ্রেয়।’
যারা কর্মীদের খোঁজখবর নিচ্ছে না, বিদেশে বসে রাজকীয় জীবন কাটাচ্ছে। ঈদে বা এই বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছে না, তাদের আর এই সংগঠনে দেখতে চাই না। তারা কখনো বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে যেন আইনের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং দুর্নীতির জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয় সব কর্মীর স্লোগান একটাই মৃত্যুদণ্ড। কারণ তাদের কারণে সংগঠন, দেশ এবং ৭১ আজ ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।
যুবলীগ নেতা শামসুল কবির রাহাত বলেন, যেখানে বেশির ভাগ কর্মী দেশে থেকে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে পারেননি। সেখানে যারা বিদেশে বসে এসব কর্মকাণ্ড করেছেন তাদের দেখে কর্মীরা ভীষণ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
]]>
বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহিনুর কবির।
আটককৃতরা হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এর মহাসচিব সেলিম রেজা (৪৫), মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এর সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮) ও আশুলিয়ার দক্ষিন গাজীরচট এলাকার মো. সোহেল পারভেজ (৪০)।
জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে ফিরে যাওয়ার পথে ৫০ জনের মত লোক লাল পতাকা হাতে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। পরে উপস্থিত জনতা তাদের ধাওয়া দিয়ে কয়েক জনকে মারধর করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আওয়ামী লীগ সন্দেহে তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায়।
ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহিনুর কবির বলেন, ২৬শে মার্চ উপলক্ষে স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফেরার পথে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছিলো। এসময় তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলেও জানান তিনি।
]]>
গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থেকে বিএনপিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করেছে।
দীর্ঘ ১৬ বছর হামলা মামলা নির্যাতন কারাবরন সব উপেক্ষা করে আমি সাভারের মাটিতে বিএনপি কে উজ্জীবিত করে কর্মীদের সাথে নিয়ে রাজপথে থেকেছি। ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম আরো বলেন, আমি সাভার ও সাভারের মানুষকে ভালবাসি। সাভারের মানুষ যদি আমাকে পৌর মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করে আমি সাভারকে একটি আধুনিক ও যুগ উপযোগী সাভার হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা এবং আমার বাড়িতে কয়েকবার হামলা করা হয়েছে। এত জুলুম নির্যাতন করেও আমাকে দমাতে না পেরে বিভিন্ন লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে আমাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কাজ করার জন্য বলা হয়েছিল কিন্তু আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে এক চুল পরিমাণও সরে আসেনি। তিনি আরো বলেন, আমার এখন মূল লক্ষ্য সাভারের নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের জন্য কাজ করা।
আমি এখন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজ মুক্ত আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলতে চাই। এ সময় তিনি সাভারের সকল বিএনপির নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।
]]>
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেট এলাকায় দেখতে পান কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় উপস্থিত বিক্ষুব্ধ কয়েকজন তাকে গণপিটুনি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেয় তারা। পরে প্রক্টরিয়াল বডি তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সাভার গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও শামীমের পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শামীম মোল্লা সাভারের আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া মোল্লাবাড়ীর ইয়াজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে গত ১৫ জুলাই রাতে ভিসির বাসভবনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে।
]]>বুধবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর তিনটায় ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাসফিকুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। ঘোষণার সময় জামিনে থাকা ২৭ আসামি অনুপস্থিত থাকায় পরে তাদেরকে পলাতক দেখিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়। এছাড়া তিন আসামী মামলার শুরু থেকেই পলাতক আছে।
দণ্ডিত আসামীরা হলেন- মিনহাজউদ্দীন মোল্লা, শফিকুল ইসলাম,শাহজালাল, আমানুল ইসলাম আমান, মো. রাকিব, আলাউদ্দীন, আশিকুর রহমান, মাহমুদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম শহিদ,ফজল আহমেদ, আফসার মোক্তার, রেজাউল করিম জুয়েল,খোরশেদ আলম,ইউনুস খান, মো. নয়ন,শহিদুল ইসলাম পিতা গরীবুল্লাহ, মিজানুর রহমান মিজান,হাসিবুর রহমান, আসাদুজ্জামান টিটু,ইউসুফ হোসেন,শাহনেওয়াজ হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হোসেন, দেলোয়ার হোসেন,মুসলেমউদ্দীন, আমজাদ হোসেন টুটুল, মো. রাকিব, মোহাম্মদ আলী পাঠান,আরিফুল হক সুমন,সাইফুল ইসলাম ও মাহমুদুল মুকুল। দণ্ডিতদের দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারায় ৬ মাস, ৪২৭ ধারায় ৬ মাস এবং ৪৩৬ ধারায় ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মামলার ঘটনায় জানা যায়, ২০১৩ সালের ১এপ্রিল সাভারের শিমুলতলার ঢাকা আরিচা মহাসড়কে রাত ৮ টায় বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মিছিল করে। এসময় তারা রাস্তায় যানবাহন ভাঙচুর করে এবং বাসে আগুন দেয়।
পরে এই ঘটনায় সাভার থানার সহকারী উপপরিদর্শক ফারুক জামান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৩ সালের ২৯ জুন পরিদর্শক তদন্ত আমিনুর রহমান চার্জশীট দাখিলসহ এ মামলায় ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
]]>এতে সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনকে হুকুমের আসামি করা হয়।
৩৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৯০ জনকে আসামি করে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটির মালিক বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে জানান সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।
তিনি জানায়, গতকাল বুধবার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের মধুমতি মডেল টাউন এলাকায় পার্কিংয়ে থাকা রিমি ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিএনপির ১২৫ নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়।
এ মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
]]>